Ads

মঙ্গলের জীবন বুঝতে পৃথিবীর যে অঞ্চলে চলছে গবেষণা

 প্রথম দেখায় মঙ্গল গ্রহের লালচে পাথুরে মাটি মনে হয়

বিজ্ঞাপন

স্বয়ংক্রিয় রোভারও রয়েছে
স্বয়ংক্রিয় রোভারও রয়েছে
রয়টার্স

দলটির সাময়িক আবাসের নাম আমাদি-২০। এর ভেতরেই ঘুমান, গবেষণা চালান। খাওয়াদাওয়াও সেখানে। বাইরে গেলে গায়ে স্পেস স্যুট চড়ান। সেটা অবশ্য নকল, পরীক্ষামূলকও বলা চলে। তাতে ক্যামেরা আছে, মাইক্রোফোন আছে, আবার শ্বাসপ্রশ্বাস জারি রাখার কৃত্রিম ব্যবস্থাও আছে। দলের ছয় সদস্যকে সার্বক্ষণিক ক্যামেরায় পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

অস্ট্রিয়ান স্পেস ফোরামের পরিচালক গারনট গ্রোমার সে অভিযানের ব্যাপারে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘আমাদের মূলমন্ত্র হলো দ্রুত ত্রুটি শনাক্ত করে খরচ কমানো এবং ক্রমাগত শিক্ষা অর্জন। কারণ, যেসব ভুল আমরা এখানে, এই পৃথিবীতে করব, আশা করছি, মঙ্গলে তার পুনরাবৃত্তি হবে না।’
ইসরায়েল স্পেস এজেন্সি এবং স্থানীয় সংগঠন ডি-মার্সের সঙ্গে অস্ট্রীয় অ্যাসোসিয়েশনটি র‍্যামন ক্র্যাটারের প্রকল্প পরিচালনা করছে।

আরও পড়ুন

চাঁদ সম্পর্কে মানুষের আগের ধারণা বদলে দিল চীন

দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঝে হচ্ছে আ.লীগের কার্যালয়
নানা দেশের ছয়জন কাজ করছেন প্রকল্পটিতে
নানা দেশের ছয়জন কাজ করছেন প্রকল্পটিতে
রয়টার্স

মঙ্গল গ্রহের সাম্প্রতিক অভিযানগুলোয় ব্যবহৃত রোভার জ্যোতির্বিজ্ঞানের ভক্তদের দৃষ্টি কেড়েছে। নাসার পার্সিভারেন্স সেগুলোর অন্যতম, তা ছাড়া এই প্রথম ইনজেনুইটি নামের খুদে স্বয়ংক্রিয় হেলিকপ্টারও পাঠানো হয় মঙ্গলে। এতে লাল গ্রহের ভূপৃষ্ঠের দেখা মেলে ঠিকই, তবে মানুষ গিয়ে থাকলে ব্যাপারটা কেমন দাঁড়াবে, তা বোঝা কঠিন।

ইসরায়েলের মরুভূমিতে আমাদি-২০ নামের অভিযানটি পরিচালনার কথা ছিল ২০২০ সালে। তবে করোনার জন্য পিছিয়ে দেওয়া হয়। পরীক্ষামূলক এই অভিযানের শিক্ষা মঙ্গলে অভিযান সফল করতে কাজে লাগানোর ইচ্ছা গবেষকদের। গ্রোমার বলেন, এই আবাস বর্তমানে পৃথিবীর সবচেয়ে জটিল, সবচেয়ে আধুনিক, তবে অ্যানালগ গবেষণাকেন্দ্র।

দিকনির্দেশনার জন্য ড্রোন ব্যবহার করছেন গবেষকেরা কারণ মঙ্গলে জিপিএস কাজ করবে না
দিকনির্দেশনার জন্য ড্রোন ব্যবহার করছেন গবেষকেরা কারণ মঙ্গলে জিপিএস কাজ করবে না
রয়টার্স

পৃথিবীর গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম (জিপিএস) মঙ্গলে অচল। তাই দিকনির্দেশনার জন্য প্রকৌশলী ও বিশেষজ্ঞরা ড্রোন ও রোভারের সাহায্য নিয়ে থাকেন।

সব মিলিয়ে প্রকৌশলী ও বিশেষজ্ঞরা ২০টির বেশি পরীক্ষা চালাবেন। গবেষণার বিষয়ের মধ্যে রয়েছে ভূতত্ত্ব, জীবতত্ত্ব ও চিকিৎসাবিদ্যা। পরীক্ষা শেষে কিছু ফলাফল প্রকাশের ইচ্ছা আছে তাঁদের।

ওই গবেষক দলের একজন অ্যালন টেনজার। গায়ে প্রায় ৫০ কেজি ওজনের যন্ত্রপাতিওয়ালা স্পেস স্যুট চড়িয়ে রয়টার্সকে সাক্ষাৎকার দেন। তিনি বলেন, ‘অল্প জায়গায় আমরা ছয়জন কাজ করে যাচ্ছি। অনেক পরীক্ষা চালানোর চাপ আমাদের ওপর। চ্যালেঞ্জ তো থাকবেই। তবে আমাদের সদস্যদের ওপর বিশ্বাস আছে, চ্যালেঞ্জগুলো জয় করবই আমরা।’

SHARE

Author

    Blogger Comment
    Facebook Comment

0 comments:

Post a Comment