Ads

কম্পিউটার হার্ডওয়্যার কি – সঠিক তথ্য জানুন !!

 

বিষয়সূচি

কম্পিউটার হার্ডওয়্যার

হার্ডওয়্যার সম্পর্কে জানতে গেলে আপনাদের সকলের একটি গুরুত্বপূর্ণ কথা জানা খুবই প্রয়োজন।

কথাটি হলো:

আমরা জানি যে, একটি কম্পিউটারের অনেকগুলো পার্ট থাকে।

তারমধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ২ টি পার্ট হলো: ১)হার্ডওয়্যার ও ২)সফটওয়্যার।

হার্ডওয়্যার কে ছোঁয়া বা স্পর্শ করা যায় কিন্তু সফটওয়্যারকে স্পর্শ করা যায় না।

আমাদের আজকের বিষয়টি এই হার্ডওয়্যার নিয়ে।

আজকে আমরা জানবো:

কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার কি?

 হার্ডওয়্যার কত প্রকার ও কি কি? এবং

 বিভিন্ন ধরনের Computer Hardware.

তো চলুন শুরু করা যাক ।

শুরু করার আগে একটি কথা না বললেই নয়; আপনি যদি স্টুডেন্ট হয়ে থাকেন অথবা কর্মজীবি হয়ে থাকেন না কেন আপনাকে কম্পিউটার সম্পর্কে বেসিক জ্ঞান রাখতেই হবে।

কারণ, এখন আমাদের জীবনের প্রতিটি সেক্টরেই কম্পিউটারের ব্যবহার রয়েছে।

সুতরাং, আপনি যদি মনোযোগ দিয়ে লেখাটি সম্পূর্ণ শেষ করতে পারেন, তাহলে আপনাকে আর কম্পিউটার হার্ডওয়্যার কি এই বিষয়টি নিয়ে কখনো প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হবে না।

কম্পিউটার হার্ডওয়্যার কি?

হার্ডওয়্যার হল একটি কম্পিউটারের শারীরিক অংশ  (Physical Component).

এটি হতে পারে একটি সার্কিট বোর্ড, আইসি অথবা আপনি যে ডিসপ্লেটির মাধ্যমে এই লেখাটি পড়ছেন সেটিও হার্ডওয়্যারের একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ।

কোন স্মার্টফোন, ট্যাবলেট অথবা কম্পিউটার এদের মূল গঠনটিই হয়ে থাকে হার্ডওয়ারের সমন্বয়ে।

কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারগুলো চলে আবার সফটওয়্যার এর নির্দেশে। মানে একটি হার্ডওয়্যারকে কখন কি করতে হবে তা নির্ধারণ করে দেয় সফটওয়্যার।

হার্ডওয়্যার ও সফটওয়ার পরস্পর সম্পর্কযুক্ত এদের একটি ছাড়া অপরটি অচল।

আপনি যদি সফটওয়্যার সম্পর্কে না জেনে থাকেন তাহলে হার্ডওয়্যার বিষয়টি বুঝতে কিছুটা অসুবিধা হবে। সুতরাং নিচে দেয়া লিঙ্ক থেকে সফটওয়্যার কি তা জেনে নিন।

সহজ ভাষায়
কম্পিউটার সফটওয়্যার কি- Update 2021

কম্পিউটার হার্ডওয়্যারের সংঙ্গা ?

কম্পিউটারের হার্ডওয়ারের সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য সংজ্ঞাটি হল-

কম্পিউটার হার্ডওয়্যার হলো একটি কম্পিউটারের শারীরিক অংশ; এটি হতে পারে মাউস, কিবোর্ড, মনিটর, কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট (সি পি ইউ)অথবা গ্রাফিক্স কার্ড ইত্যাদি।

Wekepedia অনুসারে হার্ডওয়্যার হলো,

Computer hardware includes the physical parts of a computer, such as the case central processing unit (CPU), monitor, mouse, keyboard, computer data storage, graphics card, sound card, speakers and motherboard.

প্রকারভেদ – কম্পিউটার হার্ডওয়্যার



আসলে হার্ডওয়্যারের নির্দিষ্ট কোন প্রকারভেদ নেই।

তবে ব্যবহারের উপর ভিত্তি করে কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারকে ২টি শ্রেণীতে বিভক্ত করা যায়।

যেমন-

১) ইন্টারনাল হার্ডওয়্যার (Internal Hardware) এবং

২) এক্সটারনাল হার্ডওয়্যার (External Hardware)

একটু ভেঙে বলি-

১) ইন্টারনাল হার্ডওয়্যার কি?

হার্ডওয়ারের শ্রেণীবিভাগ নির্ভর করে এর যন্ত্রাংশের উপর ভিত্তি করে। যেমন-

কম্পিউটারের হার্ডডিস্কে(Hard Disk Drive) আমরা বিভিন্ন ফাইল সেভ করে রাখি।

এই হার্ডডিস্কটি থাকে কম্পিউটারের ভেতরে সুতরাং, হার্ডডিস্ক হলো একটি কম্পিউটারের ইন্টারনাল হার্ডওয়্যার (Internal Hardware).

এখন আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে যে কম্পিউটার ইন্টার্নাল হার্ডওয়্যার কি?

তো চলুন জেনে নেয়া যাক।

নিচে একটি কম্পিউটারের ইন্টারনাল হার্ডওয়্যারগুলোর লিস্ট দেয়া হলো-

  • মাদারবোর্ড (Motherboard)
  • সিপিইউ (CPU=central processing unit).
  • সিডি-রম (CD-ROM)
  • ডিভিডি (DVD)
  • হার্ড ড্রাইভ (hard drive)
  • এসএসডি (SSD= Solid State Drive)
  • কুলিং ফ্যান (Fan=heat sink)
  • মডেম (Modem)
  • নেটওয়ার্ক কার্ড (Network card)
  • পাওয়ার সাপ্লাই (Power supply)
  • র‌্যাম (RAM= Random Access Memory)
  • সাউন্ড কার্ড (Sound card)
  • ভিডিও কার্ড (Video card)

যদিও এই ইন্টার্নাল ডিভাইসের যন্ত্রাংশ সমূহ সম্পর্কে বিস্তারিত বলে শেষ করার মত নয় তারপরও নিম্নে এর প্রধান কিছু বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

মাদারবোর্ড কি?

ইন্টারনাল হার্ডওয়্যার গুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো এই মাদারবোর্ড(Motherboard)।

আমরা যদি কোন কম্পিউটারের পিসি বক্স খুলে ফেলি, তাহলে সেখানে একটি বড় প্লাস্টিক সার্কিট বোর্ড দেখতে পাবো যেখানে অসংখ্য ইলেকট্রনিক চিপ লাগানো আছে।

একে মেইন সার্কিট বোর্ড(Main Circuit Board), সিস্টেম বোর্ড(System Board), লজিক বোর্ডও (Logic Board) বলা হয়।

সিপিইউ কি?

কম্পিউটারের ও হার্ডওয়্যারের প্রত্যেকটা অংশই খুব গুরুত্বপূর্ণ। যদি কোনোভাবে কম্পিউটারের একটি অংশ নষ্ট হয়ে যায় তাহলে আর সেই কম্পিউটারটি চালানো সম্ভব নয়। 

তারপরও যে অংশটা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ সেটা হচ্ছে এর প্রসেসর যাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট(CPU = Central Processing Unit) বলা হয়।

কম্পিউটারের প্রসেসর মেমোরি থেকে তথ্য দেয়া নেয়া করে এবং সেগুলো প্রক্রিয়াকরণ করে। এই প্রসেসর প্রতিমুহূর্তে লক্ষ-কোটি হিসাব-নিকাশ করে থাকে।

সিডি-রম কি?

রম হলো এক ধরনের ইলেকট্রনিক স্টোরেজ ডিভাইস । এটি কম্পিউটার, স্মার্টফোন এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইসে থাকে ।

একটি রমের ভেতরে যে সকল তথ্য থাকে তা রম (ROM) তৈরি করার সময় ইনপুট (Input) করা থাকে এবং কম্পিউটার শুধুমাত্র রমে থাকা তথ্যগুলো পড়তে পারে । কিন্তু কম্পিউটার রমে থাকা তথ্যগুলো কোনোপ্রকার পরিবর্তন করতে পারে না ।

যেমন: CD ROM বা DVD ROM

র‌্যাম কি?

র‌্যাম হলো কম্পিউটারের অস্থায়ী স্মৃতি । অর্থাৎ র‌্যামে কোনো তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায় না ।

র‌্যাম(RAM) কম্পিউটারের এবং স্মার্টফোনের একটি মৌলিক অংশ । সাধারণত কম্পিউটার অথবা স্মার্টফোনের মূল সার্কিটবোর্ড (Motherboard) – এর সাথে র‌্যাম সংযুক্ত থাকে ।

পাওয়ার সাপ্লাই কি?

পাওয়ার সাপ্লাই একটি ইলেকট্রিক্যাল ডিভাইস যেটি কম্পিউটারের জন্য প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ সরবরাহ করে।

হার্ডওয়্যারের প্রয়োজনীয় যন্ত্র সমূহের মধ্যে এই পাওয়ার সাপ্লাই-ও একটি গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ ।

এটির প্রধান কাজ হলো গতানুগতিক বৈদ্যুতিক পাওয়ারকে কম্পিউটারের সহনশীল ও কম্পাটিবল করে তৈরি করে। তারপর কম্পিউটারের প্রদান করে।

২) এক্সটারনাল হার্ডওয়্যার কি?

একটি মাউস দিয়ে আমরা বাইরে থেকে কম্পিউটারকে নির্দেশ দিতে পারি। সুতরাং মাউস একটি এক্সটারনাল হার্ডওয়্যার (External Hardware).

এখন আবার আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে যে কম্পিউটার এক্সটারনাল হার্ডওয়্যার কি?

তো চলুন জেনে নেয়া যাক।

নিচে একটি কম্পিউটারের এক্সটারনাল হার্ডওয়্যারগুলোর লিস্ট দেয়া হলো-

  • মনিটর (Monitor)
  • কি-বোর্ড (Key-board)
  • মাউস (Mouse)
  • মাইক্রোফোন (Microphone)
  • প্রিন্টার (Printer)
  • স্পিকার (Speakers)
  • প্রজেক্টর (Projector)
  • ফ্ল্যাট প্যানেল (Flat-panel)
  • গেম প্যাড (Gamepad)
  • জয়স্টিক (Joystick)
  • স্ক্যানার (Scanner)
  • ইউএসবি ড্রাইভ (USB drive)

আরো পড়ুন:

কম্পিউটার কি
বিস্তারিত– Best Practice in 2021

মনিটর কি?

মনিটর হল একটি এক্সটার্নাল আউটপুট যন্ত্র।

আমরা কম্পিউটারে যে কাজগুলো করে থাকি তা মনিটরের মাধ্যমে আমাদের সামনে প্রদর্শন করা বা দেখানোর কাজটি করে থাকে এই মনিটর।

সুতরাং বুঝতেই পারছেন মনিটরের গুরুত্ব কতটুকু।

কি-বোর্ড কি?

কম্পিউটারে ইনপুট দেয়ার প্রধান বহুল ব্যবহৃত যন্ত্র হলো কিবোর্ড।

কিবোর্ডের সাধারণত বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ কিছু চিহ্ন সারিবদ্ধ ভাবে বিন্যস্ত থাকে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিকাংশ যন্ত্রে সাধারণত কিবোর্ড এর মাধ্যমে ইনপুট দেওয়া হয়। কম্পিউটারকে দিয়ে কোন কাজ করাতে চাইলে কম্পিউটারকে কিছু নির্দেশনা দিতে হয়।

আমরা কি-বোর্ডের বোতাম চেপে নির্দেশনাগুলো কম্পিউটারের মধ্যে প্রবেশ করাই, তারপর আমাদের দেওয়ার নির্দেশের উপর ভিত্তি করে কম্পিউটার আমাদের চাওয়া অনুযায়ী কাজটি করে দেয়।

মাউস কি?

ইনপুট ডিভাইস গুলোর মধ্যে মাউস (Mouse) খুবই জনপ্রিয় একটি ডিভাইস। যাকে আমরা পয়েন্টিং ডিভাইস নামেও বলতে পারি।

মাউসের সাধারণত দুটি বাটন এবং একটি চক্র বা হুইল থাকে।

কম্পিউটারের মনিটরের পর্দায় মাউস এর অবস্থান তীরের ফলার মতো একটি ছোট পয়েন্টারের মাধ্যমে আমরা দেখতে পাই। আমরা হাত দিয়ে মাউস যেদিকে নাড়াচড়া করি মনিটরে পয়েন্টারটিকেও সেদিকেই নড়াচড়া করতে দেখা যায়।

মাইক্রোফোন কি?

এটিও একটি ইনপুট যন্ত্র আমাদের কথা, গান বা যেকোনো ধরনের শব্দ এর মাধ্যমে কম্পিউটারে প্রবেশ করানো যায়। বিশেষ করে ইন্টারনেটভিত্তিক যোগাযোগের কথা বলার ক্ষেত্রে বেশ জনপ্রিয়তা লক্ষ্য করা যায়

কথা বলা ছাড়াও ভয়েস রিকগনিশনের ক্ষেত্রে মাইক্রোফোন ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

স্পিকার কি?

স্পিকার একটি আউটপুট ডিভাইস।

আমরা যখন কম্পিউটার এর কাছ থেকে কোন শব্দকে আউটপুট হিসেবে পেতে চাই, তখন আমাদের কম্পিউটারের সাথে স্পিকার সংযোগের প্রয়োজন হয়।

যেমন- আমরা স্পিকারের মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে গান শুনে থাকি।

হার্ডওয়্যার ভার্চুয়ালাইজেশন কি?

হার্ডওয়্যার ভার্চুয়ালাইজেশন (Hardware Virtualization) কি সেটি জানার আগে আমাদেরকে জানতে হবে ভার্চুয়ালাইজেশন কথাটির অর্থ কি।

কম্পিউটারের ক্ষেত্রে ভার্চুয়ালাইজেশন (Virtualisation) কথাটির অর্থ হলো-

কম্পিউটার দ্বারা তৈরি কোনো কিছুর অবাস্তব অনুরূপ;

যেমন আমরা সিনেমা হলে সিনেমা দেখি।

কখনো কি ভেবে দেখেছেন,

এই সিনেমা হলে এত বড় পর্দা বা ডিসপ্লেটি কি দিয়ে তৈরি অথবা এটি কি বাস্তবেই আছে?

উত্তরটি হলো না।

বাস্তবে ওই বড় পর্দায় উপস্থাপিত সিনেমাটি আসলে কম্পিউটার দিয়ে তৈরি একটি কৃত্রিম আলো মাত্র যা ধরা বা ছোঁয়া যায় না।

তেমনি হার্ডওয়্যার ভার্চুয়ালাইজেশন বলতে বোঝায় হার্ডওয়ারের কৃত্রিম সংস্করণ তৈরি যা ধরা বা ছোঁয়া যায় না।

একটি উদাহরণ দেয়া যাক,

বাস্তবে আমরা আমাদের কম্পিউটারের হার্ডডিস্কে তথ্য সংরক্ষণ করে থাকি। আবার, আমরা অনেকে গুগল ড্রাইভ ব্যবহার করে থাকি যেখানে আমরা আমাদের যাবতীয় তথ্য জমা করে রাখতে পারি

এই গুগল ড্রাইভ টি হল কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক এর একটি ভার্চুয়াল সংস্করণ।

এখানে কম্পিউটারে যেভাবে তথ্য জমা করে রাখতে পারতাম ঠিক একইভাবে তথ্য জমা করে রাখতে পারি।

এই পদ্ধতিতেই হার্ডওয়ারের (Hardware) বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ভার্চুয়ালাইজেশন (Virtualization) করা হয়ে থাকে।

হার্ডওয়্যার আপগ্রেড কি?

মূলত হার্ডওয়্যার আপগ্রেড বলতে বোঝায় হার্ডওয়্যারের যন্ত্রগুলোকে উন্নত করা অর্থাৎ, উন্নত সংস্করণ তৈরি করা।

কম্পিউটারের কাজের পারফরম্যান্স বৃদ্ধি করার জন্য মূলত এই হার্ডওয়্যার আপগ্রেড (Hardware Upgrade) করা হয়।

যেমন-কম্পিউটারের মেমোরি স্পেস বৃদ্ধি করার জন্য এসএসডি (SSD=Solid State Drive) ব্যবহার করা।

হাই কোয়ালিটির গ্রাফিক্স সুবিধা ভোগ করার জন্য গ্রাফিক্স কার্ড (Graphics Card) ব্যবহার করা ইত্যাদি হার্ডডিস্ক আপগ্রেড এর কাজের উদাহরণ ।

সবশেষে (Conclusion):

যত দিন যাচ্ছে প্রযুক্তি ততোই উন্নত হচ্ছে, টেকনোলজি যতই উন্নত হোক না কেন এর মূল আর্কিটেকচার কিন্তু একই থাকে।

যেমন ধরুন এই কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ধীরে ধীরে আপডেট করা হচ্ছে এবং ভার্চুয়ালাইজেশন করা হচ্ছে কিন্তু এর মূল আর্কিটেকচারটা কিন্তু একই থাকছে।

সুতরাং আপনি যদি আজকের এই লেখা টি ধৈর্য ধরে সম্পূর্ণ শেষ করে থাকেন তাহলে কম্পিউটার হার্ডওয়্যার কি, এর কাজ কি, কত প্রকার ও কি কি, ধরনের কোন প্রশ্ন আপনার কাছে কঠিন কিছু মনে হবে না

আশা করি এই লেখাটি আপনাদের কিছুটা হলেও উপকার করবে। যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই আপনার বন্ধুদের সাথে ফেসবুকে শেয়ার করতে ভুলবেন না। আপনাদের ভালোলাগাই আমার সার্থকতা।

সবশেষে, আপনার মনে যদি হার্ডওয়্যার সম্পর্কে আরো কোনো প্রশ্ন জেগে থাকে, তাহলে নিচে কমেন্ট করুন অথবা আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

সাথে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

SHARE

Author

    Blogger Comment
    Facebook Comment

0 comments:

Post a Comment