ইয়ারফোনে গান শুনুন। তবে চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে। ছবি: পিক্সঅ্যাবে।
এই বিজ্ঞাপনের পরে আরও খবর
সারা ক্ষণ কানে হেডফোন গুঁজে রাখার ভয়াবহতা নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। প্রায়ই কানে ইয়ারফোন লাগিয়ে পথে-ঘাটে হেঁটে মৃত্যুর খবর উঠে আসে খবরের শিরেনামে। তবু আমরা সচেতন হই কোথায়? জীবনে দাঁড়ি পড়ে যেতে পারে জেনেও প্রায়ই আমরা পথ চলি ইয়ারফোন লাগিয়েই। তবে এই ‘দোষ’ থেকে খানিকটা বেঁচে যেতে পারেন হেডফোন ব্যবহারের কিছু নিয়ম মানলে।
এমনিতে ইয়ারফোন ক্ষতি করে আপনার কানেরও। শুনতে পাওয়ার প্রবণতা কমিয়ে অকালেই বধির হয়ে যেতে পারেন স্রেফ যথেচ্ছ ইয়ারফোন ব্যবহারে। এই প্রসঙ্গে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন চিকিৎসক আমাদের সাবধান করেছেন। মারণ রোগের হাতছানিও এখানে এড়িয়ে যাওয়ার নয়। এ নিয়ে চলেছে সরকারি নানা প্রচারও। তবু ছবি বদলায় না। ব্যস্ত জীবনে দু’দণ্ড গান শুনে নেওয়ার সময়টুকুই যেন আমাদের মানসিক চাপ থেকে মুক্তির রসদ।
Advertisement
তা বেশ তো। ইয়ারফোনে গান শুনুন। কিন্তু কিছু নিয়ম মেনে। এতে জীবন ও কান দুই-ই বাঁচবে, আবার গান শোনার মজা থেকেও বঞ্চিত হবেন না। এই প্রসঙ্গে চোখ-কান-গলা বিশেষজ্ঞ শীর্ষক দত্ত জানালেন, হেডফোন ব্যবহারের এমন কিছু নিয়ম, যা অন্তত কিছুটা হলেও আপনাকে বাঁচাবে শারীরিক ক্ষতি থেকে। এমন কিছু কৌশল যা আপনার জীবন রক্ষাতেও সাহায্য করবে। দেখে নিন সে সব।
আরও পড়ুন: কলকাতায় এই স্ট্রিট ফুডগুলি পাওয়ার সেরা ঠিকানা জানেন?
Advertisement
লেবু-জল খাচ্ছেন না রোজ? এ সব জানলে এ ভুল আর নয়
গাড়ি চালাতে চালাতে ইয়ারফোন? এমন ভুল খবরদার নয়! ছবি: শাটারস্টক।
যে সংস্থার মোবাইল ব্যবহার করছেন, ঠিক সেই সংস্থার, সেই মডেলটির ইয়ারফোনই ব্যবহার করুন। প্রতিটি সংস্থা তাদের নির্দিষ্ট মডেলের জন্য নির্দিষ্ট ইয়ারফোন তৈরি করে। ফোন থেকে বেরনো রশ্মির তরঙ্গ, কম্পন ইত্যাদির উপর অঙ্ক কষেই ইয়ারফোনের তরঙ্গ তার ক্ষমতা ইত্যাদি ঠিক করা হয়। আমাদের অনেকেরই অভ্যাস আছে ইয়ারফোন খারাপ হলেই আমরা বাজারচলতি সস্তা ইয়ারফোন কিনে নিই। এ সব কানের জন্য খুব ক্ষতিকর। তাই ইয়ারফোন খারাপ হলে উক্ত সংস্থার ঠিক ওই মডেলেরই ইয়ারফোন কিনে ব্যবহার করুন। ইয়ারফোনে গান শোনার সময় সর্বোচ্চ ভলিয়্যুমে রেখে কখনওই শুনবেন না। এতে কানের পর্দার খুব ক্ষতি হয়। যেহেতু এই আওয়াজ সরাসরি কানে প্রবেশ করে, তাই এ বিষয়ে বিশেষ সচেতনতা অবলম্বন করুন। মোবাইলের ভলিয়্যুম কখনওই মাঝামাঝির বেশি রাখবেন না। তাতে কানের পর্দার ক্ষমতার সঙ্গে তা সামঞ্জস্য রাখতে পারে। গান চালিয়ে দেখে নিন ওই ভলিয়্যুমে বাইরের চিৎকার, আওয়াজ এ সবও কানে পৌঁছচ্ছে কি না। তা না হলে আওয়াজ আরও কমান। বাইরে বেরিয়ে গান শুনতে হলে তা শুনুন যানবাহনে যাত্রার সময় বা এক জায়গায় বসে। হাঁটার সময় বা রাস্তা-লাইন পেরনোর সময় একেবারেই নয়। শুধু নিজেই নয়, অন্যকেও এমন কাজ থেকে বিরত করুন। তবে যানবাহনে চালকের আসনে থাকলে ইয়ারফোন লাগাবেন না কানে। এতে মনঃসংযোগ নষ্ট হয়। একটানা আধ ঘণ্টার বেসি ইয়ারফোন ব্যবহার করবেন না। মোবাইলে কোনও সিনেমা দেখতে হলে আধ ঘণ্টা অন্তর খানিক বিরতি নিন। পাঁচ-দশ মিনিট বিরাম দিন কানকে।
Mon 2:32 PM
Monoar
Monoar Hossain Diken
সিপিউ কুলারের ব্যাপারে কতটুকু জানেন?
আমারা যারা সাধারন ব্যবহারের জন্য কম্পিউটার কিনে থাকি, তাদের মধ্যে খুবই কম সংখ্যক কম্পিউটারের থার্মাল অবস্থা এবং টেম্পারেচার নিয়ে জ্ঞান রেখে থাকেন। কিন্তু এই বিষয়টা সকলের জানা দরকার কম্পিউটারের মূল ব্রেইন বা প্রসেসর বেশি গরম হলে সিপিইউ(বা প্রসেসর)-এর কাজ করার ক্ষমতা কমতে থাকে। কারন মাদারবোর্ড থেকেই সিপিইউ এর ক্ষমতা কমিয়ে দেয়া হয় যাতে করে প্রসেসরের তাপমাত্রা কমে আসে। ইংরেজি ভাষায় একে থার্মাল থ্রটোলিং(Thermal Throttling) বলে থাকে। থার্মাল থ্রটোলিং না থাকলে সিপিউ পুড়ে যাবার সম্ভাবনা থাকে। থার্মাল থ্রটোলিং সমস্যার কারনে অনেকক্ষেত্রে অনেকেই এ সমস্যা সমাধানে কেসে একাধিক ফ্যান লাগিয়ে নেন কিন্তু সিপিউতে যথাযথ মানের থার্মাল পেস্ট এবং ভালো মানের কুলার না থাকে তাহলে থার্মাল থ্রটোলিং হবেই।
কম্পিউটারের কেস ফ্যান নিয়ে আগে লেখা হয়েছিল। লেখাটি পড়তে ক্লিক করতে পারনে এখানে।
আজকের বিষয়বস্তু সিপিউ কুলার নিয়ে। কম্পিউটারের যন্ত্রাংশ ঠান্ডা করার জন্য ২ ধরনের সমাধান আছে। তা হলঃ এয়ার কুলিং, ওয়াটারকুলিং। আবার ওয়াটারকুলিং এর ক্ষেত্রে ২ ধরনের পদ্ধতি আছে তার মধ্যে একটি হলঃ অল ইন ওয়ান সলিউশন এবং কাস্টম ওয়াটার লুপ।
দুটির মধ্যে সহজ এবং বহুল ব্যবহৃত অল ইন ওয়ান সলিউশন এবং এয়ার কুলিং নিয়ে আজ কথা হবে।
সাধারন প্রসেসরের সাথে যেসব ফ্যান দেয়া থাকে তা সবই এয়ার কুলিং ফ্যান। এয়ার কুলিং ফ্যানগুলো ফ্যানের মাধ্যমে বাতাসের সাহায্যে প্রসেসর ঠান্ডা করে থাকে।
এয়ারকুলার আকারের ভিত্তিতে কয়েক ধরনের হয়ে থাকে যেওন টপ ডাউন, সিংগেল টাওয়ার, ডুয়াল টাওয়ার বা ইউ শেপড।
সাধারনত প্রসেসরের সাথে যেসব কুলার এসে থাকে সেগুলো টপ ডাউন হয়ে থাকে। আর যেসব কুলার কিনতে পাওয়া যায় সেসব কুলারের মধ্যে অপেক্ষাকৃত দামী কুলারগুলো টাওয়ার শেপড হয়ে থাকে।
এছাড়া মিনি আইটিএক্স কেসের জন্য কিছু টপ ডাউন কুলার আছে তা যদিও বাংলাদেশের বাজারে তেমন একটা জনপ্রিয় নয়।
প্রায় প্রতিটা থার্ড পার্টি সিপিউ কুলারের সাথে একটি অথবা দুটি ভালো মানের ফ্যান থাকতে পারে।
এবার আসা যাক অল ইন ওয়ান সলিউশনে। অল ইন ওয়ান সলিউশান সাধারনত ওয়াটার লুপের একটি রেডিমেড ভার্শন যা সহজ ভাষায় বললে ওয়াটারকুলার বলা যায়। অল ইন ওয়ান কুলারগুলোর ওয়াটার ব্লক বা পাম্প অংশ এবং বাকিটা পাইপের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে বড় রেডিয়েটরের সাথে। ভিতরে একটি লিকুইড কুল্যান্ট থাকে যার কাজ তাপ পরিবহন করে প্রসেসরকে ঠান্ডা রাখা। অল ইন ওয়ান ওয়াটারকুলার সাধারনত গাড়ির কুলিং সিস্টেমের মতই কাজ করে থাকে।
রেডিয়েটরের আকারের উপরে ভিত্তি করে এই কুলারগুলো ১২০,২৪০,৩৬০ মিলিমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে। তবে এই ধরনের কুলারের ৪৮০ মিলিমিটার ভার্শনও রয়েছে যদিও ৪৮০ মিলিমিটার কুলারগুলো তেমন একটা দেখা যায় না।
রেডিয়েটর যত বড় হবে তত বেশি কুলিং পার্ফামেন্স দিতে পারে এই ধরনের কুলারগুলো।
এখন প্রশ্ন হল আপনার কোন কুলার দরকার?
যদি আপনার কুলিং নিয়ে তেমন কোন ধারণা না থেকে থাকে এবং আপনার প্রসেসর যদি ওভারক্লক না করা যায় এয়ার কুলার আপনার জন্য ভাল হবে।
তবে যদি ভেবে থাকেন প্রসেসর ওভারক্লকিং করবে তাহলে অল ইন ওয়ান(AIO) কুলার নিতে হবে।
অনেকেই অল ইন ওয়ান কুলার নিয়ে থাকেন শুধুমাত্র সুন্দর দেখানোর জন্য কারন অল ইন ওয়ান কুলারগুলো সিস্টেম কিনে থাকেন।
তবে এটা সত্য যে, ভালো মানের অল ইন ওয়ান কুলার সাধারন এয়ার কুলার থেকে বেশি এফেক্টিভ এবং ভালো মানের কুলিং পার্ফামেন্স দিতে সক্ষম।
Cooler Master Hyper 212X
অল ইন ওয়ান এবং এয়ার কুলারের দাম?
দামের ভিত্তিতে হিসেব করলে এয়ার কুলার ভালো মানের কুলিং দিয়ে থাকবে। যদিও কিছু কিছু ক্ষেত্রে এয়ার কুলার এবং কমদামী আরজিবিওয়ালা অল ইন ওয়ান কুলারের মধ্যে পার্ফামেন্সের পার্থক্য খুব কম হতে পারে। এটা অস্বাভাবিক কিছু নয়।
বাজারে NZXT, Cooler Master, Xigmatek, ASUS ইত্যাদি ব্র্যান্ডের কুলার পাওয়া যায়। দামের ভিত্তিতে ভালো ব্র্যান্ডের এয়ার কুলার ১৩০০ টাকা থেকে ৫০০০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।
অন্যদিকে ব্র্যান্ডেড অল ইন ওয়ান কুলারের দাম ৫৫০০ টাকা থেকে ৩০,০০০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।
দাম হিসেবে কুলার মাস্টারের একটি জনপ্রিয় এবং বহুল প্রসংসিত একটি কুলার হল Cooler Master Hyper 212X সিরিজটি। এছাড়া কুলার মাস্টারের T20 সিপিউ কুলারগুলো অপেক্ষাকৃত কম দামে যথেস্ট ভালো মানের কুলিং পার্ফামেন্স দিতে সক্ষম।
অন্যদিকে, Cooler Master MasterLiquid Lite 120, NZXT Kraken M22 এবং CM Liquid 240 RGB দুটি কুলারগুলো গেমার এবং সিস্টেম বিল্ডারদের মধ্যে অনেক জনপ্রিয় কুলার।
আসুসের পক্ষ থেকে অত্যন্ত প্রিমিয়াম পর্যায়ের দুটি কুলার হলো Asus ROG RYUJIN এবং Asus ROG RYUO যাতে আছে কিছু প্রিমিয়াম ফিচার্স।
Asus ROG RYUO 240 Cpu Cooler
Asus ROG RYUO 240
কিছু টিপস
১। এয়ার কুলার কেনার আগে দেখে নিন প্রসেসরের সকেট(ইন্টেল/এএমডি) সাপোর্ট করে কিনা, কী ধরনের মেটাল ব্যবহার করা হয়েছে বা বিল্ড কোয়ালিটি কেমন। রিভিউ দেখে কিনুন কেমন ধরনের কুলিং দিতে পারে।
২। কম্পিউটার কেসের আকার বুঝে সিপিউ কুলার কিনুন। এছাড়া র্যামের সাথে সিপিউ কুলারের জায়গা নিয়ে যাতে ঝামেলা না হয় তা দেখে কুলার কেনা উচিত।
৩। ভালো মানের থার্মাল পেস্ট ব্যবহার করুন। যদিও সিপিউ কুলারের সাথে ভালো মানের থার্মাল পেস্ট দেয়া থেকে থাকে। কিন্তু স্টক কুলার হলে ভালো মানের থার্মাল পেস্ট ব্যবহার করা উত্তম।
৪। থার্মাল পেস্ট বছরে একবার করে পরিবর্তন করা ভাল। এতে করে সিস্টেমের থার্মাল পার্ফামেন্স ভাল থাকবে। থার্মাল পেস্ট শুকিয়ে গেলে কুলিং পার্ফামেন্স কমে যায়।
৫। কুলিং ফ্যানের উপরেও অনেক কিছু নির্ভর করে থাকে। ভালো মানের ফ্যান ব্যবহার করার পরামর্শ রইল।
Home
অপারেটিং
অপারেটিং সিস্টেম
আউটপুট
উইন্ডোজ ১০
উইন্ডোজ ৭
এ ভাবে ইয়ারফোন ব্যবহার করলে বিপদের আর ভয় নেই নিজস্ব প্রতিবেদন...............।।
- Blogger Comment
- Facebook Comment
Subscribe to:
Post Comments
(
Atom
)
0 comments:
Post a Comment