Ads

আরও নারী অনলাইনে এলে যে সুফল পাওয়া যেত

 আরও নারী অনলাইনে এলে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর অর্থনীতি আরও এগিয়ে যেত। প্রতীকী ছবি

বিজ্ঞাপন

গবেষণায় যে দেশগুলোর তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে
গবেষণায় যে দেশগুলোর তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে
ওয়েব ফাউন্ডেশন

ক্যাথেরিন অ্যাডেয়া বলেন, যে রাষ্ট্রগুলো নারীদের ডিজিটাল বিপ্লবে পূর্ণোদ্যমে অংশ নেওয়ার সুযোগ করে দেয়, তারা সৃজনশীলতা ও উৎপাদনশীলতার পথ উন্মোচন করে।

নারীদের ইন্টারনেট ব্যবহার ও অনলাইনে যুক্ত হওয়ার বাধাগুলো উল্লেখ করেন গবেষণাপত্রের লেখকেরা। সেখানে ডিভাইস ও ইন্টারনেট ডেটা প্যাকেজ সুলভ নয় বলা হয়েছে। শিক্ষা ও ডিজিটাল দক্ষতায় অসমতাও একটি কারণ। তা ছাড়া সামাজিক রীতিনীতিও নারীদের ইন্টারনেট ব্যবহারে অনুৎসাহিত করে। ইদানীং ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা, সুরক্ষা ও নিরাপত্তার ব্যাপারটিও বড় হয়ে উঠেছে। আবার ডিজিটাল লিঙ্গবৈষম্য দূরীকরণে দেশগুলোর সরকার প্রয়োজনীয় নীতিমালা গ্রহণ করছে না বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

বাংলাদেশের নারীরাও ইন্টারনেট বা অনলাইনজগৎ তাদের জন্য নিরাপদ নয় বলে উল্লেখ করেন গবেষণাপত্রে। বিশেষ করে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু পোস্ট করার সময় তাদের মনে ভয় কাজ করে।

সম্ভাব্য সমাধানও বাতলে দিয়েছেন গবেষকেরা। তাঁরা বলেন, সামগ্রিকভাবে নারীদের ইন্টারনেট ব্যবহারে বাধাগুলো দেখতে হবে। অবকাঠামোয় বিনিয়োগ, স্বচ্ছ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ এবং নারীদের ডিজিটাল দক্ষতা ও স্বাক্ষরতা বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করতে নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে। সে সঙ্গে নারী অধিকার প্রচার-প্রসারের পাশাপাশি নিরাপত্তা ও সুরক্ষাবিষয়ক দিকগুলো নিয়েও ভাবতে হবে।

গবেষণা প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ডিজিটাল লিঙ্গবৈষম্য দূর করলে ২০২৫ সাল নাগাদ ৫২ হাজার ৪০০ কোটি ডলারের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পাবে।

বিশ্বব্যাংকের ডিজিটাল উন্নয়নবিষয়ক পরিচালক বউথিনা গেরমাজি বলেন, অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল ভবিষ্যতে বিনিয়োগ করলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি শিক্ষা, রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং উপার্জনে অসমতার মতো সমস্যাগুলো সমাধান দিয়ে আদর্শ সমাজ গড়ার সুযোগ পাবেন রাষ্ট্রনেতারা।

SHARE

Author

    Blogger Comment
    Facebook Comment

0 comments:

Post a Comment